Description
১৯৪৬। দাঙ্গায় রক্তাক্ত কলকাতা। শারদীয়া আনন্দবাজার সে বছর পাঠকের হাতে পৌঁছায় অক্টোবরের বদলে ডিসেম্বরে। যাতে পুজোর উপন্যাস লিখেছিলেন তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। লাভপুরে, কোপাই ও বক্রেশ্বর দুনদী মিলেমিশে যেথায় হাঁসুলীর মতো বাঁক নেয় সেখানকার জনজীবন, তাঁদের সুখ-দুঃখ, কান্না-হাসি, প্রেম-ভালোবাসা, ডাঙ্গা-ডহর নিয়ে ‘হাঁসুলী বাঁকের উপকথা’।
বেঙ্গল পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড গ্রন্থাকারে প্রকাশ করে ১৯৫৫ সালে, প্রথম। জীবদ্দশায় প্রকাশিত নয়টি সংস্করণের প্রতিটিতেই পরিমার্জন-পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে তারাশঙ্কর তুলে এনেছেন লোকায়ত-জগতের অতলে লুকিয়ে থাকা এক আদিম সমাজচিত্র। লোকসংস্কৃতিবিদ-নৃতত্ত্ববিদ যেমন করে অনুসন্ধান করেন, তারাশঙ্করের অনুসন্ধান তার চেয়েও গভীর, মমত্বময়। সে জন্যই কাহারদের এ উপকথা পেয়েছে পাঠকপ্রিয়তা, অর্জন করেছে কালোত্তীর্ণের গৌরব।
সাহিত্যিক নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের দৃষ্টিতে তারাশঙ্করের আধুনিকতম সৃষ্টি এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি ‘হাঁসুলী বাঁক’। ‘বাঁশবাঁদি’র কাহারদের সঙ্গে সঙ্গে রূপকছলে ব্রাত্য, মন্ত্রহীন ভারতবর্ষের যুগান্তরের দোলাও প্রকাশ্য এ উপন্যাসে। যা তারাশঙ্করকে দিয়েছে গণসাহিত্যের নির্ভীক অগ্রদূতের শিরোপা।





Reviews
There are no reviews yet.